শিরোনাম :
নরসিংদীতে স্কলার পলিটেকনিকে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতার টাকা আটকে রাখার অভিযোগ! শিবপুরে ডাকাতি মামলায় সাইফুল গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন পলাশের ইউরিয়া সার কারখানায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বেলাবতে যার উপরে হামলা তার নামেই মামলা দিল ওসি!  নরসিংদীতে ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ! বেলাবো ইউএনওর নির্দেশে স্থাপনা ভাঙচুর, জমি দখল বুঝিয়ে দেয় প্রশাসন ও পুলিশ! নরসিংদীতে রাব্বিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন: নিরালার মালিক জাহাঙ্গীর সরকার গ্রেপ্তার ফুলের ভালোবাসায় বিদায় নিলেন হরিরামপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন নরসিংদীতে মদের দোকানের ক্যাশিয়ারকে আগুন দেওয়ার অভিযোগ: পিয়াস নামে এক যুবক গ্রেপ্তার নরসিংদী ভুয়া ফেসবুক আইডি খোলার অভিযোগে থানায় জিডি চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে জামিন না দেওয়ায়, জেল সুপারকে শোকজ করেন বিচারক
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..!

নরসিংদীর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তেল চুরির টাকা দুই ওসির পকেটে!

প্রতিনিধির নাম :
প্রকাশকাল : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি:

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার কোন্দারপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে সৃষ্টিগড় বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তেল চুরির একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

 

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বড় যানবাহন থেকে রাতের আঁধারে ডিজেল চুরি করে এসব দোকানে মজুত করা হয়। পরে তা খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়। প্রকাশ্যেই এই তেল চুরির ব্যবসা রমরমা চলছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ওই এলাকায় এ ধরনের ১৪টি অস্থায়ী দোকান রয়েছে এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, এই সিন্ডিকেটটি শিবপুর থানার ওসি ও নরসিংদী জেলার গোয়েন্দা শাখা(ডিবি) ওসি কে আর্থিক সুবিধা দিয়ে আসছে। ১৪ টা দোকানের একজন দলপতি রয়েছেন। তিনি প্রতি মাসে ৩০০ লিটার তেলের মূল্য (বর্তমানে ৩৪ হাজার ৫০০ ) একটি পাম্পে পরিশোধ করেন। ওই পাম্প থেকে শিবপুর থানা পুলিশ বিনামূল্যে ৩০০ লিটার তেল নেয়।

অন্যদিকে জেলা গোয়েন্দা শাখার( ডিবি) ওসি ১৪ টি দোকান থেকে ২০০০ করে ২৮ হাজার টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। শিবপুরে এটা ওপেন সিক্রেট!

 

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।”

 

অন্যদিকে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, “এটা সত্য নয়। আপনি চাইলে আমি একান্তে এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই।”

 

তবে জনমনে প্রশ্ন তারা যদি আর্থিক সুবিধা নিয়ে না থাকেন, তাহলে কিভাবে চলছে এই তেল চুরির রমরমা ব্যবসা??


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category